শেফাইল উদ্দিন:

কক্সবাজারের নব গঠিত ঈদগাঁও উপজেলার কৃতিসন্তান শফিকুর রহমান পি এইচ ডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর ) জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে পি.এইচ.ডি. ডিগ্রী (ডক্টরেট অব ফিলোশপী) প্রদান করেন । তিনি উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মাইজ পাড়া এলাকার হাজী ছৈয়দ আলমের ছেলে এবং কলামিস্ট বিশিষ্ট সাংবাদিক অধ্যাপক মালিক সোবহানের ভাগিনা।
গবেষনা অভিসন্দর্ভ: পরিবেশ বান্ধব ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে দুষিত মাটি থেকে বিষাক্ত ধাতু আর্সেনিক দুরীকরনের টেকসই পদ্ধতি উদ্ভাবন।
শিক্ষাজীবনে ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৩সালেএস.এস.সি,ককসবাজার সরকারি কলেজ থেকে ২০০৫ এইচ. এস. সি,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (রসায়ন বিভাগ)অনার্স এবং মাস্টার্স পাশ করেন।
জাপানের কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯ সালে পিএইচডি শুরু করেন ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ পি.এইচ.ডি শেষ করেন।
এছাড়া শফিক ২০১৮ সালের মার্চে জার্মানির বিখ্যাত রুহর বিশ্ববিদ্যালয় বকুম থেকে রসায়ন বিজ্ঞানে কৃতিত্বের সাথে তার দুই বছর মেয়াদী দ্বিতীয় মাস্টারস ডিগ্রী অর্জন করেন।
ড. শফিকের পি.এইচ.ডি গবেষনার কাজ দুইটি বিশ্ববিখ্যাত এবং বনেদী জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। পি.এইচ. ডি গবেষনায় গুরত্বপুর্ন তত্ব উত্থাপন এবং অবদানের জন্যে কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানজনক প্রেসিডেন্ড এওয়ার্ড প্রদান করেন।
এ ছাড়া তিনি জার্মানি, তুরস্ক, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, পর্তুগাল, থাইল্যান্ড, দুবাই, জাপান, এবং হংকং সহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।
তিনি বর্তমানে শফিক কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট ডক্টরাল গবেষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

ড. শফিকুর রহমান এই পি.এইচ.ডি যাত্রায় যারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন বিশেষ করে প্রফেসর, ইসমাইল স্যার, ল্যাবমেট, বন্ধু-বান্ধব, পরিবার, বাবা-মা, ভাইবোন, এবং কানাজাওয়া বাঙালি পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।