বিপুল ভোটে পুনরায় বিজয় হওয়ার পথে তারেক বীন ওসমান শরিফ

এম বশির উল্লাহ, মহেশখালী:

কক্সবাজার জেলার গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ১৫ জুন। নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের কাছে আগ্রহের কমতি নেই। ইতিমধ্যেই প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে কালারমারছড়া ইউনিয়ন। পুরো ইউনিয়নের অলিগলিতে নৌকা মার্কার ব্যাপক সাড়া পড়েছে। পুনরায় তাদের প্রিয় চেয়ারম্যান তারেক শরিফকে নিবাচিত করার কথা জানান এলাকাবাসী।

নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

জেলার বৃহত্তম ইউনিয়ন কালারমারছড়া ইউনিয়নে জমজমাট প্রচারণা চলছে। প্রার্থী সংখ‍্যা ৭ জন হলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দুজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে এমনটি মনে করছেন ভোটাররা। বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ছেন।
অপরদিকে সদ্য বহিষ্কৃত ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামান বাবু টেলিফোন প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী ছাড়া নির্বাচনে শক্তিশালী প্রার্থীর সংখ্যা কম থাকায় এই দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ থাকবে এমনটি মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন ও জনসমর্থন থাকায় ইতিমধ্যে তারেক বিন ওসমান শরীফ নৌকা প্রতীক নিয়ে অনেকটা এগিয়ে আছেন।

এদিকে সমানতালে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিদ্রোহী প্রার্থী টেলিফোন প্রতীকের আখতারুজ্জামান বাবু।
কালারমার ছড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস শুক্কুর জানিয়েছেন নৌকা প্রতীকে মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন। কালারমারছড়ায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে। এছাড়া সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। যার ফলে মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে চায়। আশা করি মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবে।
গতকাল কালারমারছড়ার মাইজ পাড়ায় গণসংযোগ করেন আওয়ামীলীগরে নৌকা মার্কার প্রাথী তারেক শরিফ এসময় মুহুতের মধ্যে ব্যাপক ভাবে জনসমাঘম সৃষ্টি হয়। প্রিয় চেয়ারম্যানকে দেখতে নারী পুুরুষের দীর্ঘ লাইন দেখা যায।

অপরদিকে প্রথমবারের মতো ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইউনিয়নে। এটি এলাকা বাসীর জন্য একেবারে নতুন হলেও সাধারণ মানুষের কাছে আশার সঞ্চার হয়েছে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মহেশখালী সফর করেছেন। এবং ১৬ জন প্রাথীকে জরিমানাও করেছেন।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আচরণবিধি লংঘন করায় একাধিক প্রার্থী কে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার হয়েছে।

নৌকা মার্কার প্রাথী তারেক বীন ওশমান শরীফ বলেন, আমি গত ৫ বছরে কালারমারছড়ার প্রতিটি ওয়াডে যে পরিমান উন্নয়ন করেছি , আমার বিশ্বাস মানুষ আমাকে হতাশ করবেনা, ইনশাআল্লাহ ১৫ তারিখ বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিমলেন্দু কিশোর পাল জানিয়েছেন আচরণবিধির না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। নির্বাচন কমিশন নির্দেশিত সকল নির্দেশনা মেনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে হবে। এর বাইরে গেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।