বাঁকখালী নদীর খনন কাজ দ্রতগতিতে এগিয়ে চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত প্রকল্প কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর খনন কাজ চলছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বিআইডব্লিউটিএ’র মাধ্যমে প্রকল্পের অধীনে নদীর নুনিয়াছড়া পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত খনন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। স্বনামধন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সোনালী ড্রেজার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

জানা গেছে, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বাঁকখালী খননের জন্য ২০৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকার একটি প্রকল্প বরাদ্দ দেয়। টেন্ডারের মাধ্যমে এই প্রকল্পের কাজ পায় স্বনামধন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সোনালী ড্রেজার। গত বছরের ৮ মার্চ বাঁকখালী খনন কাজ শুরু হয়। সেই থেকে বিরতিহীনভাবে খনন কাজ চলছে। ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীর নির্দিষ্ট পরিমাণ অংশ খনন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মহেশখালী থেকে কস্তুরাঘাট পর্যন্ত খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রামুর রাবার ড্রেম পর্যন্ত খনন করা হবে।

এদিকে বাঁকখালী নদী খনন করতে গিয়ে কিছু অংশে খননকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে শহরের কস্তুরাঘাট এলাকায় খনন করতে গিয়ে পাথর পড়ে। এই পাথর অংশ খননে বাধা হচ্ছে পাথরগুলো। এইস্থানে খনন করতে গিয়ে মেশিন ও অন্যান্য যন্ত্রপাতিতে কাজ হচ্ছে না। অনেক কষ্টে সেখানে খননন করা হচ্ছে। এতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বাড়তি খরচ বহন ও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে খনন কাজে দায়িত্বরতরা বলেন, বাঁকখালী খনন করতে গিয়ে অনেক প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে। এরমধ্যে বড় প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে পাথর অংশ। ড্রেজারের সাথে কিছু কিছু পাথর উঠে আসছে। অন্যদিকে কিছু কিছু স্থানে প্রভাবশালীরা খনন কাজে বাধা দিচ্ছে।

সোনালী ড্রেজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, খনন কাজে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে পাথর অংশ। সেখানে খনন করতে গিয়ে ড্রেজার মেশিনে আঘাত হচ্ছে। তারপও বালির সাথে কিছু কিছু পাথ উঠে আসছে। এতে মারাত্মক বিপত্তি পোহাতে হচ্ছে। এতে যেমন কর্মপ্রতিবন্ধতা তেমনি আর্থিক ব্যয়ও বেড়েছে। কিন্তু একটি পক্ষ এই নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ইচ্ছে করে পাথর করা তোলা হচ্ছে বলে। আসলে কিছু কিছু পাথর বালি সাথে উঠে আসছে।

সূত্র মতে, বাঁকখালী নদীর কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাট থেকে মহেশখালী জেটিঘাট পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার অংশে খনন করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.